গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি: মোঃ ইয়াদুল ইসলাম।
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া এলাকায় এক নারীকে মারধর করে গুরুতর আহত করা এবং শ্লীলতাহািযোগে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৬ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ বিকাল আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটে গৌরনদী থানাধীন পূর্ব মাহিলাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীর ছেলে মো. রাশেদ ফকির (২৬) জানান, তিনি ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। প্রতিবেশী হাফিজুর খানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তাদের পারিবারিক ও স্থানীয় বিরোধ চলে আসছিল।
ঘটনার দিন রাশেদ ফকিরের মা ফাতেমা বেগম স্থানীয় শামীম ফকিরের বাড়ির সামনে গেলে অভিযুক্তরা তাকে লক্ষ্য করে সেখানে গিয়ে লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে তিনি শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন। অভিযোগে বলা হয়, হাফিজুর খান সজোরে ঘুষি মারলে তার বুকে মারাত্মক জখম হয় এবং হাড় ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।
মায়ের চিৎকার শুনে রাশেদ ফকির ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। একই সঙ্গে ফাতেমা বেগমের পরিহিত কাপড় টানা-হেঁচড়া করে শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীদের খুন-জখমের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
গুরুতর আহত ফাতেমা বেগমকে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর চিকিৎসকের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ৮ এপ্রিল বিকেলে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মীয়-স্বজন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে গৌরনদী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযুক্ত হাফিজুর খান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তেমন কিছু হয়নি, আমার হাতের ধাক্কা লেগেছে বাকি সব অভিযোগ মিথ্যা।
এ বিষয়ে গৌরনদী থানার পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
.png)
সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি: মোঃ ইয়াদুল ইসলাম।
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া এলাকায় এক নারীকে মারধর করে গুরুতর আহত করা এবং শ্লীলতাহািযোগে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৬ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ বিকাল আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটে গৌরনদী থানাধীন পূর্ব মাহিলাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীর ছেলে মো. রাশেদ ফকির (২৬) জানান, তিনি ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। প্রতিবেশী হাফিজুর খানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তাদের পারিবারিক ও স্থানীয় বিরোধ চলে আসছিল।
ঘটনার দিন রাশেদ ফকিরের মা ফাতেমা বেগম স্থানীয় শামীম ফকিরের বাড়ির সামনে গেলে অভিযুক্তরা তাকে লক্ষ্য করে সেখানে গিয়ে লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে তিনি শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন। অভিযোগে বলা হয়, হাফিজুর খান সজোরে ঘুষি মারলে তার বুকে মারাত্মক জখম হয় এবং হাড় ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।
মায়ের চিৎকার শুনে রাশেদ ফকির ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। একই সঙ্গে ফাতেমা বেগমের পরিহিত কাপড় টানা-হেঁচড়া করে শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীদের খুন-জখমের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
গুরুতর আহত ফাতেমা বেগমকে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর চিকিৎসকের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ৮ এপ্রিল বিকেলে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মীয়-স্বজন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে গৌরনদী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযুক্ত হাফিজুর খান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তেমন কিছু হয়নি, আমার হাতের ধাক্কা লেগেছে বাকি সব অভিযোগ মিথ্যা।
এ বিষয়ে গৌরনদী থানার পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন