গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলা, ভাঙচুর ও জোরপূর্বক দখলচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে জামায়াতের কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অন্তত একজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের বজরা মৌজায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বজরা কঞ্চিবাড়ী মৌজার ১৬৫৬ নম্বর দাগের ৩৮ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এ সংক্রান্ত এমআর মামলা নং ৬১৭/২০২৪ বর্তমানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এর আগে গত ৫ নভেম্বর ২০২৫ উপজেলা ভূমি অফিস সরেজমিন তদন্ত শেষে একটি প্রতিবেদন দাখিল করে।
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিরোধপূর্ণ জমির মধ্যে বাদীপক্ষ ১২ শতক এবং বিবাদীপক্ষ ২৬ শতক জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে রয়েছে। এছাড়া বাদীপক্ষের দখলকৃত অংশ স্থানীয়দের চলাচলের রাস্তা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় বিবাদীপক্ষ জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা চালায়। এ সময় কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির সাজ্জাদুর রহমান সাজুর নেতৃত্বে দলবল নিয়ে হামলা চালানো হয়। হামলায় ইউনিয়ন সেক্রেটারি নুর আলম এবং ওয়ার্ড সভাপতি রবিউল ইসলামের সম্পৃক্ততার অভিযোগও উঠেছে।
অভিযোগকারীরা জানান, বিবাদীপক্ষ স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছিল। এমনকি রবিউল ইসলামের কাছে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার পরও আরও টাকা দাবি করা হয়। অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হামলার ঘটনা ঘটে বলে দাবি তাদের।
তাদের আরও অভিযোগ, হামলাকারীরা বসতবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় এবং পরিবারের সদস্যদের মারধর করে। এতে নারী ও শিশুসহ কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহত রাজা ভূঁইয়া (৬৭) বর্তমানে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জামায়াতের এক নেতা বলেন, অভিযুক্ত কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার মতো কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি একাধিকবার জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বিষয় : jamat
.png)
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলা, ভাঙচুর ও জোরপূর্বক দখলচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে জামায়াতের কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অন্তত একজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের বজরা মৌজায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বজরা কঞ্চিবাড়ী মৌজার ১৬৫৬ নম্বর দাগের ৩৮ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এ সংক্রান্ত এমআর মামলা নং ৬১৭/২০২৪ বর্তমানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এর আগে গত ৫ নভেম্বর ২০২৫ উপজেলা ভূমি অফিস সরেজমিন তদন্ত শেষে একটি প্রতিবেদন দাখিল করে।
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিরোধপূর্ণ জমির মধ্যে বাদীপক্ষ ১২ শতক এবং বিবাদীপক্ষ ২৬ শতক জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে রয়েছে। এছাড়া বাদীপক্ষের দখলকৃত অংশ স্থানীয়দের চলাচলের রাস্তা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় বিবাদীপক্ষ জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা চালায়। এ সময় কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির সাজ্জাদুর রহমান সাজুর নেতৃত্বে দলবল নিয়ে হামলা চালানো হয়। হামলায় ইউনিয়ন সেক্রেটারি নুর আলম এবং ওয়ার্ড সভাপতি রবিউল ইসলামের সম্পৃক্ততার অভিযোগও উঠেছে।
অভিযোগকারীরা জানান, বিবাদীপক্ষ স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছিল। এমনকি রবিউল ইসলামের কাছে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার পরও আরও টাকা দাবি করা হয়। অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হামলার ঘটনা ঘটে বলে দাবি তাদের।
তাদের আরও অভিযোগ, হামলাকারীরা বসতবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় এবং পরিবারের সদস্যদের মারধর করে। এতে নারী ও শিশুসহ কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহত রাজা ভূঁইয়া (৬৭) বর্তমানে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জামায়াতের এক নেতা বলেন, অভিযুক্ত কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার মতো কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি একাধিকবার জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
.png)
আপনার মতামত লিখুন