বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের পশ্চিম সাতলা দুই নম্বর ওয়ার্ডের একতা বাজার থেকে মাছ বাজার পর্যন্ত সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি এখন প্রায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাজুড়ে সৃষ্টি হয় কাদা ও পানি জমে থাকার ভয়াবহ পরিস্থিতি। ফলে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে এই সড়কের আশপাশে রয়েছে পশ্চিম সাতলা হাফিজিয়া মাদ্রাসা, শহীদ একাডেমিক স্কুলসহ একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও রয়েছে পুরুষ ও মহিলা মাদ্রাসা। প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী এই সড়ক ব্যবহার করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। কিন্তু রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে তাদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। বিশেষ করে ছোট ছোট শিক্ষার্থীরা কাদায় পিছলে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে নিয়মিত।
এলাকাবাসী অভিযোগ করেন রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও ইট উঠে গিয়ে কাদামাটিতে পরিণত হয়েছে পুরো সড়ক। এতে ভ্যান, অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ ছোট যানবাহন চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
স্থানীয়দের ভাষ্য গর্ভবতী নারী, বয়স্ক ব্যক্তি ও অসুস্থ রোগীদের চলাচলে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেক সময় রোগী বহনকারী যানবাহন কাদায় আটকে পড়ে, ফলে জরুরি চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়। এছাড়াও বাজারে ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা জরুরি। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।
এ বিষয়ে এলাকাবাসীর দাবি দ্রুত সময়ের মধ্যে রাস্তাটি সংস্কার ও উন্নয়ন করা হলে জনদুর্ভোগ কমবে এবং শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি এলাকার শিক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থারও উন্নতি ঘটবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
বিষয় : উজিরপুর
.png)
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের পশ্চিম সাতলা দুই নম্বর ওয়ার্ডের একতা বাজার থেকে মাছ বাজার পর্যন্ত সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি এখন প্রায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাজুড়ে সৃষ্টি হয় কাদা ও পানি জমে থাকার ভয়াবহ পরিস্থিতি। ফলে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে এই সড়কের আশপাশে রয়েছে পশ্চিম সাতলা হাফিজিয়া মাদ্রাসা, শহীদ একাডেমিক স্কুলসহ একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও রয়েছে পুরুষ ও মহিলা মাদ্রাসা। প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী এই সড়ক ব্যবহার করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। কিন্তু রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে তাদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। বিশেষ করে ছোট ছোট শিক্ষার্থীরা কাদায় পিছলে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে নিয়মিত।
এলাকাবাসী অভিযোগ করেন রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও ইট উঠে গিয়ে কাদামাটিতে পরিণত হয়েছে পুরো সড়ক। এতে ভ্যান, অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ ছোট যানবাহন চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
স্থানীয়দের ভাষ্য গর্ভবতী নারী, বয়স্ক ব্যক্তি ও অসুস্থ রোগীদের চলাচলে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেক সময় রোগী বহনকারী যানবাহন কাদায় আটকে পড়ে, ফলে জরুরি চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়। এছাড়াও বাজারে ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা জরুরি। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।
এ বিষয়ে এলাকাবাসীর দাবি দ্রুত সময়ের মধ্যে রাস্তাটি সংস্কার ও উন্নয়ন করা হলে জনদুর্ভোগ কমবে এবং শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি এলাকার শিক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থারও উন্নতি ঘটবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
.png)
আপনার মতামত লিখুন