স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মেহেদী হাসান।
আগৈলঝাড়া উপজেলার পয়সারহাট ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারির কাগজপত্র সংগ্রহকে কেন্দ্র করে এক আবেদনকারী ও অফিস সহকারীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির ও বাকবিতণ্ডার ঘটনার মিমাংসা হয়েছে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগৈলঝাড়া উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের সরবাড়ী গ্রামের স্বামী রনজিত জয়ধর স্ত্রী শিখা জয়ধর ২ আগস্ট ২০২৫ তারিখে নামজারির জন্য আবেদন করেন। পরবর্তীতে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে তার নামজারি খতিয়ান মঞ্জুর হয়।
এ বিষয়ে পয়সারহাট ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক আবুল বাশার (বাদশাহ) জানান, নামজারি মঞ্জুর হওয়ার পর আমি তাকে ফোন করে বিষয়টি অবহিত করি। তিনি প্রথমবার এসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে যান। পুনরায় তিনি ২০ মে ২০২৬ দুপুরের এসে নামজারির কাগজপত্র চায়। আমি তাকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় আসতে বলি। এ সময় তিনি আমার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পরে অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় তাকে বুঝিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়।
শিখা জয়ধর জানায়, ২১ মে বৃহস্পতিবার সকাল দশটার আগৈলঝাড়া পয়সারহাট ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বসে আমার কাগজপত্র আবুল বাশার বুঝিয়েদেন।শিখা জয়ধর আরো জানান , আমার সাথে আবুল বাশারের মাঝে উভয় পক্ষের ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটে। ভুল বোঝাবুঝির বিষয়টি প্রথম পক্ষ দ্বিতীয় পক্ষও সাক্ষী গনের স্বাক্ষর নিয়ে লিখিত আকার মীমাংসা পত্রটি আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিখন বণিককে অবহিত করা হয়েছ
.png)
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মেহেদী হাসান।
আগৈলঝাড়া উপজেলার পয়সারহাট ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারির কাগজপত্র সংগ্রহকে কেন্দ্র করে এক আবেদনকারী ও অফিস সহকারীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির ও বাকবিতণ্ডার ঘটনার মিমাংসা হয়েছে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগৈলঝাড়া উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের সরবাড়ী গ্রামের স্বামী রনজিত জয়ধর স্ত্রী শিখা জয়ধর ২ আগস্ট ২০২৫ তারিখে নামজারির জন্য আবেদন করেন। পরবর্তীতে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে তার নামজারি খতিয়ান মঞ্জুর হয়।
এ বিষয়ে পয়সারহাট ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক আবুল বাশার (বাদশাহ) জানান, নামজারি মঞ্জুর হওয়ার পর আমি তাকে ফোন করে বিষয়টি অবহিত করি। তিনি প্রথমবার এসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে যান। পুনরায় তিনি ২০ মে ২০২৬ দুপুরের এসে নামজারির কাগজপত্র চায়। আমি তাকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় আসতে বলি। এ সময় তিনি আমার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পরে অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় তাকে বুঝিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়।
শিখা জয়ধর জানায়, ২১ মে বৃহস্পতিবার সকাল দশটার আগৈলঝাড়া পয়সারহাট ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বসে আমার কাগজপত্র আবুল বাশার বুঝিয়েদেন।শিখা জয়ধর আরো জানান , আমার সাথে আবুল বাশারের মাঝে উভয় পক্ষের ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটে। ভুল বোঝাবুঝির বিষয়টি প্রথম পক্ষ দ্বিতীয় পক্ষও সাক্ষী গনের স্বাক্ষর নিয়ে লিখিত আকার মীমাংসা পত্রটি আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিখন বণিককে অবহিত করা হয়েছ
.png)
আপনার মতামত লিখুন