স্টাফ রিপোর্টার, মোঃ মেহেদী হাসান।
সম্প্রতি বরিশালের আগৈলঝাড়া থানার সুনামধন্য ওসিকে টার্গেট করে একটি অসত্য ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রকাশিত সংবাদে দাবি করা হয়, ১০ মে শনিবার রাতে অভিযান পরিচালনা করে তিনজন সন্দেহজনক ও একজন মাদক কারবারিকে আটকের পর তিনজনকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে ঘটনাটি যাচাই-বাছাই করে এর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইন্সপেক্টর তদন্ত সুশংকর, এসআই মনির হোসেন, এসআই সমীর, এসআই ওমর ফারুক ও এএসআই আলামিনের সমন্বয়ে একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে একজনকে দুই পিস ইয়াবাসহ আটক করে নিয়মিত মামলায় আদালতে চালান দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া আটক হওয়া বাকি তিনজনের বিরুদ্ধে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ না পাওয়ায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে টাকার বিনিময়ে ছাড়িয়ে দেওয়ার যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার কোনো সত্যতা মেলেনি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, মাদকবিরোধী অভিযানে আগৈলঝাড়া থানা সবসময় কঠোর অবস্থানে রয়েছে। একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে বলেও তারা মনে করছেন।
বাগধা ইউনিয়নের বারপাইকা স্টিল ব্রিজের ওপর থেকে আস্কর গ্রামের রিন্টু মোল্লার ছেলে মাদক কারবারি শিবলী আহম্মেদকে আটক করা হয় আর সন্দেহজনক তিন সহযোগী নাইম মোল্লা, সাব্বির শাহ ও জিহাদ সরদারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আগৈলঝাড়া থানায় আনা হয় মাদকের সাথে সংশ্লিষ্টতা না থাকায় মুসলেখা রেখে অভিভাবকদের জিম্মায় দেওয়া হয়।
বিষয় : barisal আগৈলঝাড়া থানা
.png)
সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
স্টাফ রিপোর্টার, মোঃ মেহেদী হাসান।
সম্প্রতি বরিশালের আগৈলঝাড়া থানার সুনামধন্য ওসিকে টার্গেট করে একটি অসত্য ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রকাশিত সংবাদে দাবি করা হয়, ১০ মে শনিবার রাতে অভিযান পরিচালনা করে তিনজন সন্দেহজনক ও একজন মাদক কারবারিকে আটকের পর তিনজনকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে ঘটনাটি যাচাই-বাছাই করে এর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইন্সপেক্টর তদন্ত সুশংকর, এসআই মনির হোসেন, এসআই সমীর, এসআই ওমর ফারুক ও এএসআই আলামিনের সমন্বয়ে একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে একজনকে দুই পিস ইয়াবাসহ আটক করে নিয়মিত মামলায় আদালতে চালান দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া আটক হওয়া বাকি তিনজনের বিরুদ্ধে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ না পাওয়ায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে টাকার বিনিময়ে ছাড়িয়ে দেওয়ার যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার কোনো সত্যতা মেলেনি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, মাদকবিরোধী অভিযানে আগৈলঝাড়া থানা সবসময় কঠোর অবস্থানে রয়েছে। একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে বলেও তারা মনে করছেন।
বাগধা ইউনিয়নের বারপাইকা স্টিল ব্রিজের ওপর থেকে আস্কর গ্রামের রিন্টু মোল্লার ছেলে মাদক কারবারি শিবলী আহম্মেদকে আটক করা হয় আর সন্দেহজনক তিন সহযোগী নাইম মোল্লা, সাব্বির শাহ ও জিহাদ সরদারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আগৈলঝাড়া থানায় আনা হয় মাদকের সাথে সংশ্লিষ্টতা না থাকায় মুসলেখা রেখে অভিভাবকদের জিম্মায় দেওয়া হয়।
.png)
আপনার মতামত লিখুন