ঢাকা   শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
ঢাকা   শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
Today বাংলা নিউজ

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীনকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেনি জামায়াত-শিবির: রাশেদ খাঁন

ঝিনাইদহে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেছেন, হামলার সময় জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের নেতারা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে উদ্ধারে কার্যকর কোনো ভূমিকা পালন করেননি।শুক্রবার ঝিনাইদহ শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের এনসিপিতে যোগদান উপলক্ষে সেখানে যান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। জুমার নামাজের আগে তিনি জেলা কালেক্টরেট মসজিদে নামাজ আদায় করেন।নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তার সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান। এ সময় পেছন থেকে কয়েকজন যুবক ডিম নিক্ষেপ ও হামলা চালায়। এতে এনসিপির কয়েকজন স্থানীয় নেতাকর্মী আহত হন।ঘটনার পর ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন দাবি করেন, ঝিনাইদহ-২ সদর আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা আলী আজম মো. আবু বকর এবং ছাত্রশিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম কেউই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেননি।তিনি লেখেন,নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীকে উদ্ধারে ন্যূনতম উদ্যোগও নেওয়া হয়নি। তার নিজের লাইভে শোনা গেছে, এটা ছাত্রশিবির সভাপতির এলাকা, তাকেও জানানো হয়েছিল; কিন্তু তিনিও আসেননি।রাশেদ খাঁনের দাবি, শুরুতে ছাত্রশিবিরের কিছু কর্মী পাটওয়ারীর সঙ্গে থাকলেও পরে সিনিয়র নেতাদের পরামর্শে তারা সরে যান। ঘটনার সময় এনসিপি নেতা তারেক রেজার কিছু সহযোগী ও অল্পসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।তারেক রেজার ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, সম্ভবত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মিথ্যাচারের দায় নিতে না চাওয়ায় তিনি নীরব ছিলেন।এদিকে, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর দেওয়া ‘আইনমন্ত্রীর এলাকা’ মন্তব্যকেও সরাসরি মিথ্যা বলে দাবি করেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, ঝিনাইদহ সদর আইনমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকা নয়; বরং তিনি শৈলকূপা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন, যা সদর উপজেলা থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে।রাশেদ খাঁন আরও বলেন, ঝিনাইদহের চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতেই জামায়াতে ইসলামী বিজয়ী হয়েছে। বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও তা সংঘর্ষের পর্যায়ে পৌঁছেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও অভিযোগ করেন, হয়তো নাসীরুদ্দীন শান্ত ঝিনাইদহকে অশান্ত করতেই সেখানে গিয়েছিল। জামায়াত-শিবিরের উচিত হবে তার ফাঁদে পা না দেওয়া। সে চাচ্ছে সারাদেশে বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষ বাধুক।পোস্টের শেষাংশে তিনি সতর্ক করে বলেন, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে মিথ্যাচার, চরিত্রহনন, গালিগালাজ ও সাংঘর্ষিক রাজনীতি কারও জন্যই কল্যাণ বয়ে আনবে না।

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীনকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেনি জামায়াত-শিবির: রাশেদ খাঁন