সংঘাত কমার ইঙ্গিতে সরবরাহ স্বাভাবিকের আশায় বাজারে ইতিবাচক প্রভাব।
আন্তর্জাতিক বাজারে বড় ধরনের স্বস্তি নিয়ে এলো ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা। বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা জানিয়েছে ইরান, যার পরপরই বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দামে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গেছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরই তেলের বাজারে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। বাজার বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, দিনের শুরুতে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৯৮ ডলারের ওপরে থাকলেও ঘোষণা আসার পর তা দ্রুত ৯০ ডলারের নিচে নেমে আসে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নাইমেক্স (NYMEX) বাজারে লাইট সুইট ক্রুডের দামও কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা জানান, ইরান-ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনার আগে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল ৭০ ডলারের নিচে। তবে মার্চের শুরুতে সংঘাত বাড়তে থাকায় এই দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায় এবং মাসের শেষ দিকে তা ১১৯ ডলার পর্যন্ত পৌঁছায়।
সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে লেবাননে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ায় আঞ্চলিক উত্তেজনা কিছুটা কমেছে। এর প্রেক্ষিতেই হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ইরান।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হিসেবে পরিচিত এই প্রণালি পুনরায় চালু হওয়ায় জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও কমতে পারে।
সূত্র: বিবিসি
.png)
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
সংঘাত কমার ইঙ্গিতে সরবরাহ স্বাভাবিকের আশায় বাজারে ইতিবাচক প্রভাব।
আন্তর্জাতিক বাজারে বড় ধরনের স্বস্তি নিয়ে এলো ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা। বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা জানিয়েছে ইরান, যার পরপরই বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দামে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গেছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরই তেলের বাজারে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। বাজার বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, দিনের শুরুতে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৯৮ ডলারের ওপরে থাকলেও ঘোষণা আসার পর তা দ্রুত ৯০ ডলারের নিচে নেমে আসে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নাইমেক্স (NYMEX) বাজারে লাইট সুইট ক্রুডের দামও কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা জানান, ইরান-ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনার আগে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল ৭০ ডলারের নিচে। তবে মার্চের শুরুতে সংঘাত বাড়তে থাকায় এই দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায় এবং মাসের শেষ দিকে তা ১১৯ ডলার পর্যন্ত পৌঁছায়।
সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে লেবাননে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ায় আঞ্চলিক উত্তেজনা কিছুটা কমেছে। এর প্রেক্ষিতেই হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ইরান।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হিসেবে পরিচিত এই প্রণালি পুনরায় চালু হওয়ায় জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও কমতে পারে।
সূত্র: বিবিসি
.png)
আপনার মতামত লিখুন