বরিশালের গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নে গভীর রাতে একটি পারিবারিক গোরস্থান ভাঙার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গোরস্থানটির বিভিন্ন অংশ ভাঙচুর করা হয়েছে। মাটিচাপা দেওয়া কবরের চিহ্নও নষ্ট হয়ে গেছে বলে দাবি করেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারসহ আশপাশের বাসিন্দারা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাদুরতলা বয়াতি বাড়ির বাসিন্দা মো. মজিবর রহমান বয়াতি (৭০) ও মো. আকবার বয়াতি (পিতা: মৃত লাল মিয়া বয়াতি) দীর্ঘদিন আগে তাদের নিজস্ব ক্রয়কৃত জমির ওপর পারিবারিক গোরস্থান স্থাপন করেন। সেখানে তাদের পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে দাফন করা হয়েছিল।
তাদের অভিযোগ গত ২৬ এপ্রিল (রবিবার) দিবাগত রাত প্রায় ১টার দিকে একই এলাকার বাসিন্দা মো. সালাম আকন (৬০), পিতা: মব্বত আলী আকন, মো. আলামিন আকন (৩০) ও আব্দুর রহিম আকনসহ কয়েকজন ভাড়াটে লোক নিয়ে এসে গোরস্থানটি ভেঙে ফেলে। ভাঙচুর কাজে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের প্রত্যেককে ২ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এবং জমি সংক্রান্ত বিরোধের কারণে পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে গৌরনদী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল বলেন, “অভিযোগটি আমরা পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
অন্যদিকে অভিযুক্ত মো. সালাম আকন ও তার পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, তারা এ ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন এবং গোরস্থান ভাঙার বিষয়ে কিছুই জানেন না।
এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
.png)
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নে গভীর রাতে একটি পারিবারিক গোরস্থান ভাঙার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গোরস্থানটির বিভিন্ন অংশ ভাঙচুর করা হয়েছে। মাটিচাপা দেওয়া কবরের চিহ্নও নষ্ট হয়ে গেছে বলে দাবি করেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারসহ আশপাশের বাসিন্দারা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাদুরতলা বয়াতি বাড়ির বাসিন্দা মো. মজিবর রহমান বয়াতি (৭০) ও মো. আকবার বয়াতি (পিতা: মৃত লাল মিয়া বয়াতি) দীর্ঘদিন আগে তাদের নিজস্ব ক্রয়কৃত জমির ওপর পারিবারিক গোরস্থান স্থাপন করেন। সেখানে তাদের পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে দাফন করা হয়েছিল।
তাদের অভিযোগ গত ২৬ এপ্রিল (রবিবার) দিবাগত রাত প্রায় ১টার দিকে একই এলাকার বাসিন্দা মো. সালাম আকন (৬০), পিতা: মব্বত আলী আকন, মো. আলামিন আকন (৩০) ও আব্দুর রহিম আকনসহ কয়েকজন ভাড়াটে লোক নিয়ে এসে গোরস্থানটি ভেঙে ফেলে। ভাঙচুর কাজে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের প্রত্যেককে ২ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এবং জমি সংক্রান্ত বিরোধের কারণে পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে গৌরনদী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল বলেন, “অভিযোগটি আমরা পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
অন্যদিকে অভিযুক্ত মো. সালাম আকন ও তার পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, তারা এ ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন এবং গোরস্থান ভাঙার বিষয়ে কিছুই জানেন না।
এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
.png)
আপনার মতামত লিখুন